You are currently viewing ২০২৪ সালে অনলাইন ইনকামের সেরা উপায় ও পদ্ধতিসমূহ
২০২৪ সালে অনলাইন ইনকামের সেরা উপায় ও পদ্ধতিসমূহ

ইন্টারনেট সময়ের সাথে সাথে অনলাইন ইনকামের হাব হিসেবে তৈরি হয়েছে। এখানে যেমন বিভিন্ন ধরনের কাজের ক্ষেত্র রয়েছে তেমনি গতানুগতিক ধারার থেকে বেশি আয় করার সুযোগ রয়েছে। আপনি ফুল তাইম হিসেবে অনলাইন থেকে ইনকাম করার পাশাপাশি পার্ট তাইম প্রোজেক্ট ভিত্তিক কাজ করে স্বাবলম্বী হতে পারবেন।

আমাদের আজকের লেখায় আমরা ২০২৪ সালে অনলাইন ইনকামের সেরা উপায় সমূহ নিয়ে আলোচনা করেছি। এখানে আপনি একাধারে কোন কোন সেক্টর থেকে আয় করতে পারবেন, সেগুলোতে কি ধরনের স্কিল লাগবে এবং কি পরিমাণে আয় করতে পারবেন সে সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

অনলাইন ইনকামের সেরা উপায়

নিচে অনলাইনে কন কন মাদ্ধম ব্যবহার করে ইনকাম করা যায় টা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

ই-কমার্স বিজনেস

ই-কমার্স একটি প্রগতিশীল ব্যবসায়িক ধারা। আমরা যে গতানুগতিক বাজার ধারণার সাথে পরিচিত এই সিস্টেম সে দিক থেকে অনেকটাই আলাদা। ই-কমার্স বিজনেসের মাধ্যমে আপনি যেমন লোকাল কাস্টমার পাচ্ছেন তেমনি ইন্টারন্যাশনাল কাস্টমারের কাছেও আপনার প্রোডাক্ট পৌঁছে যাচ্ছে। এতে যেমন আপনি বেশি পরিমাণে পরিচিতি পাচ্ছেন তেমনি আপনার বিক্রি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

অন্যদিকে আপনি একটি নির্দিষ্ট নিস সিলেক্ট করে তার উপর ওয়েবসাইট তৈরি করে পণ্য শোকেস করে রাখতে পারছেন। এতে আপনার ফিজিক্যাল প্রোডাক্ট না থাকলেও অনলাইনে অর্ডার নিতে পারছেন। মোটকথা, আপনাকে বর্তমান সময়ে যে যে প্রোডাক্টগুলো ট্রেন্ডিং আছে সে প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করতে হবে।

এই ক্ষেত্রে চেষ্টা করবেন একটি গোছানো প্ল্যান করার যেখানে ওয়েবসাইট তৈরি করা থেকে শুরু করে কি কি প্রোডাক্ট রাখবেন এবং সেগুলো কীভাবে প্রচার করবেন। ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য প্রথমে আপনাকে একটি ভাল হোস্টিং থেকে ডোমেইন এবং হোস্টিং নিতে হবে। তারপর একজন প্রফেশনাল এজেন্সি অথবা ডেভেলপার থেকে ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে হবে।

জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং কাজ

ফ্রিল্যান্সিং

ফ্রিল্যান্সিং একটি জনপ্রিয় মুক্ত পেশা। এখানে কাজের জন্য প্রচুর পরিমাণে সুযোগ রয়েছে। ছোট ছোট মাইক্রো কাজের পাশাপাশি ফুল টাইম সহ পার্টটাইম অনেক ধরনের কাজ পাওয়া যায়। জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে গেলে দেখা যায় সেখানে অনেক ধরনের অনলাইন ইনকামের কাজ পাওয়া যায়।

ক্যারিয়ার গড়ার জন্য এই পেশা বেছে নেওয়া বর্তমান সময়ে একটি উৎকৃষ্ট সিদ্ধান্ত। কারণ এখানে আপনি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট থেকে শুরু করে ভিডিও এডিটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, মার্কেটিং, প্রোগ্রামিং ইত্যাদি বিষয়ের উপরে কাজ করতে পারবেন। টেক ইন্ডাস্ট্রিতে এই কাজের চাহিদা সবার উপরে এবং অনেক মোটা অঙ্কের স্যালারি পাওয়া যায়।

এখানে কিছু জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং কাজের নাম দেওয়া হলো যা আপনাকে অনলাইনে ইনকামের একটি পরিষ্কার ধারণা দিতে সক্ষম।

  • ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
  • ভিডিও এডিটিং
  • গ্রাফিক্স ডিজাইনিং
  • ডিজিটাল মার্কেটিং
  • কন্টেন্ট ক্রিয়েশন
  • অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট
  • ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট

এগুলো সহ আরও অনেক ধরনের অনলাইনের কাজ রয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটে এই ধরনের কাজের যেমন অনেক চাহিদা তেমনি বাংলাদেশের মার্কেটেও অনেক চাহিদা। আপনার যদি এই সকল বিসয়ের উপরে স্কিল থাকে তাহলে সহজের জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস যেমন ফাইবার, আপওয়ার্ক, টপটাল ইত্যাদিতে আয় করতে পারবেন।

ওয়েবসাইট তৈরি করে

ক্লায়েন্টের জন্য ওয়েবসিত তৈরি করে আয় করা একটি রমাঞ্চক কাজ। এখানে যেমন ক্রিয়েটিভিটি রয়েছে তেমনি নতুন কিছু তৈরি করার মত সুখ রয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী আগামী ২০৩২ সালের মধ্যে এই কাজের জন্য প্রায় ১৬% চাকুরির সুযোগ তৈরি হবে। যদিও পূর্বের থেকে এই কাজের ধারা অনেকটাই পরিবর্তিত হয়েছে তবে এখানে একজন অ্যাভারেজ ডেভেলপার প্রতি বছর প্রায় ৬০ হাজার ডলারের মত।

তো ওয়েবসাইট তৈরি করতে হলে প্রথমে আপনাকে এটি বানানো শিখতে হবে এবং তারপর তা অনলাইন সার্ভারে হোস্ট করতে হবে। সাধারণত হোস্টিং কোম্পানিগুলো ওয়েবসাইট হোস্ট করার জন্য সার্ভার স্পেস ভাড়া দিয়ে থাকে। আপনি আইটিনাট হোস্টিং থেকে সার্ভার স্পেস নিতে পারবেন অথবা ইন্টারন্যাশনাল প্লাটফর্ম থেকেও নিতে পারবেন।

ই-মেইল নিউজলেটার

ই-মেইল কপিরাইটিং, পেইড নিউজলেটার লিখে অনলাইনে আয় করা যায়। নিউজলেটার লেখা একটি অনেক ডিমান্ডফুল স্কিল। যে যত ভালোভাবে এই স্কিল আয়ত্ত করতে পেরেছে সে তত বেশি সফল হয়েছে। কারণ এই স্কিল ব্যবহার করে আপনি যে কোন পণ্য ও সেবা বিক্রি করতে পারবেন। অর্থাৎ ইউনিক নিউজলেটার লেখায় দক্ষতা থাকলে আপনি একজন সম্ভাব্য কাস্টমারের সাথে সংযুক্ত হতে পারবেন। পাশাপাশি তাকে আপনার পণ্য বা সেবা সম্পর্কে অবহিত করে বিক্রি করতে পারবেন।

আপনার যদি নিজের পণ্য বা সেবা না থাকে তাহলে অনেক হয়েও কাজ করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস থেকে এই ধরনের অনেক কাজ পাওয়া যায়। তাছার আপনি সরাসরি ক্লাইন্ট সংগ্রহ করেও এই সার্ভিস পরিচালনা করতে পারবেন। এই কাজ করতে আপনার প্রয়োজন হবে একটি রিলাইয়েবল ই-মেইল হোস্টিং সার্ভিস। এই ক্ষেত্রে আপনি আইটিনাটহোস্টিং এর ই-মেইল হোস্টিং সার্ভিস ব্যবহার করতে পারেন। এখানে পেইড নিউজলেটার সার্ভিস এবং ই-মেইল মার্কেটিং করার জন্য প্রয়োজনীয় সার্ভার স্পেস, স্প্যাম প্রোটেকশন ও ই-মেইল ডেলিভারি সম্পর্কিত সকল ধরনের সাহায্য পাবেন।

অনলাইনে কোর্স বিক্রি করে

নতুন কোন স্কিল ডেভেলপ করার জন্য আমাদের বিভিন্ন কোর্স কেনার প্রয়োজন হয়। আপনি চাইলে অ্যাফিলিয়েট করে অথবা ল্যান্ডিং পেজের মাধ্যমে নিজের অথবা অন্যজনের কোর্স বিক্রি করে অনলাইনে আয় করতে পারবেন। বিশেষ করে যে সকল পেইড কোর্স অনেক পপুলার সেগুলোর অ্যাফিলিয়েট নিয়ে কমিশন সিস্টেমে আয় করতে পারবেন। অন্যদিকে ল্যান্ডিং পেজ তৈরি করে তাতে মার্কেটিং পদ্ধতি প্রয়োগ করে আপনি কোর্স বিক্রি করতে পারবেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং অনলাইনে আয় করার একটি জনপ্রিয় মাধ্যম। এই পদ্ধতিতে সাধারণত কোন প্রোডাক্ট বা সেবা মালিকের অনুমতি নিয়ে তার পক্ষ থেকে বিক্রি করে কিছু কমিশন নেওয়া হয়। বর্তমান সময়ে বিশ্বের অনেক দেশেই অনলাইন স্টোর অনেক পপুলার। মানুষ হোম ডেলিভারি নেওার মাধ্যমে সরাসরি বাসায় বসেই পণ্য কিনতে পারছে। 

আপনি এখন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে খুব সহজেই এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারবেন। কারণ এখানে আপনি নিজের ঘরে বসেই ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে কোন প্রতিষ্ঠান বা অনলাইন স্টোরের পণ্য সম্পর্কে সম্ভাব্য ক্রেতাকে জানাতে পারছেন। তাকে আপনার অ্যাফিলিয়েট লিঙ্কের মাধ্যমে উক্ত পণ্য কিনিয়ে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে অর্থ আয় করতে পারছেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং

ডিজিটাল মার্কেটিং

মার্কেটিং ছাড়া যে কোনো বিজনেস বা সেবা একদম অচল। যেহেতু আমরা ডিজিটাল যুগে বাস করি সেহেতু আমাদের মার্কেটিং করার জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করা অতি জরুরি। কারণ ইন্টারনেট পুরো বিশ্বকে এক জায়গায় করার পাশাপাশি ইউজারদের মধ্যকার দূরত্ব দূর করেছে। যাইহোক, ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে মার্কেটিং করা হয় তাকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলে।

এটি অনলাইনে আয় করার জন্য যত মাধ্যম রয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম। আপনি ইন্টারনেট থেকে ইনকাম করার জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং সার্ভিস দিতে পারবেন। অর্থাৎ আপনি আপনার রিসোর্স ও মেধা দিয়ে অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের মার্কেটিং করার মাধ্যমে সেল এনে দিতে পারবেন। আপনি এই কাজ অফিসে বসে করার পাশাপাশি রিমোটলি করতে পারবেন। তাছাড়া ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসের পাশাপাশি লোকাল মার্কেটে এই সার্ভিস দিতে পারবেন। প্রযুক্তি যত উন্নত হবে এবং মানুষ যত ডিজিটাল হবে এই মার্কেটিং ধারা তত বৃদ্ধি পাবে।

ওয়েবসাইট ফ্লিপিং করে

ওয়েবসাইট তৈরি করে তাতে ভিজিটর এনে তা অন্য কারো কাছে বিক্রি করে দেওার পদ্ধতিকে ওয়েবসাইট ফ্লিপিং বলে। এভাবে ওয়েবসাইট বিক্রি করার মত করে আপনি ডোমেইন বিক্রি করতে পারবেন। একে আপনি সরাসরি ফ্রিল্যান্সিং এর সাথে মেলাতে পারবেন না কারণ এটি একটি বিজনেস ধরন।

এখানে প্রথমে পর্যাপ্ত রিসার্চ করে নিস নির্বাচন করা হয় তারপর কিওয়ার্ড খুঁজে বের করা হয়। তারপর ডোমেইন এবং হোস্টিং নিয়ে ওয়েব সাইট তৈরি করা হয়। ওয়েবসাইট রেডি হলে কনটেন্ট দিয়ে তাতে এসইও করে ভিজিটর আনতে হবে। এরপর সাইট যত গ্রো করবে তার উপর নির্ভর করে আপনি সম্ভাব্য দাম নির্ধারণ করে ফ্লিপিং মার্কেটপ্লেসে লিস্টিং করতে পারবেন।

কপিরাইটিং করে

কপিরাইটিং, কন্টেন্ট ক্রিয়েশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একজন কন্টেন্ট রাইটার সব থেকে বেশি আয় করে কপি লেখার মাধ্যমে। এটি এমন একটি জিনিস যা সরাসরি কোন পণ্য বা সেবার সেলের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। অর্থাৎ আমরা অনলাইন বা অফলাইনে যত সেলস কপি দেখি অথবা অ্যাড কপি দেখি এগুলো একজন কপিরাইটার তার মেধা খাটিয়ে লিখেছেন।

মোটকথা, আপনি এই স্কিল কাজে লাগিয়ে অনলাইনে আয় করতে পারবেন। ইন্টারনেট থেকে আয় করার জন্য মার্কেটপ্লেস রয়েছে সেখানে গেলেই এই কাজ পাবেন। অন্যদিকে আপনি নিজের চেষ্টায় আউটরিচ করে অর্থাৎ লিঙ্কডইন ইউজ করে ক্লায়েন্ট খুঁজে পাবেন।

ড্রপশিপিং বিজনেস

এই সিস্টেমে আপনি ইনভেন্টরি এবং শিপিং ম্যানেজ না করেও পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। অর্থাৎ আপনি যে কোন ভরসা করার মত সাপ্লাইয়ার থেকে আপনার বিক্রি করার পণ্য সংগ্রহ এবং ডেলিভারি করতে পারবেন। বিষয়টা আরও সহজে বলতে গেলে আপনার নিজের কোন প্রোডাক্ট না থাকলেও অনলাইনে উক্ত পণ্য বিক্রি করতে পারবেন।

এতে আপনার কাজ সুধু পণ্য বিক্রি করা পর্যন্ত। কারণ সেই পণ্য সংগ্রহ করা থেকে শুরু করে কাস্টমারের হাতে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পুরোটাই আপনার সাপ্লায়ারের। এই সার্ভিস আপনি পপুলার সব ই-কমার্স প্লাটফর্ম থেকে নিতে পারবেন।

অনলাইন ইনকাম

কন্টেন্ট মনিটাইজেশন করে

নিজস্ব ব্লগ সাইট তৈরি করে অথবা ইউটিউবে ভিডিও তৈরি করে সেগুলো মনিটাইজ করে অনলাইনে আয় করতে পারবেন। এখানে আপনার ভিউ এবং ভিজিটরের উপরে আপনার আয় নির্ভর করে। অর্থাৎ আপনি যত বেশি ভিজিটরের কাছে আপনার কনটেন্ট পৌঁছতে পারবেন আপনার তত বেশি আয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এটি বর্তমানে অনেক কম্পিটিটিভ এক্সি সেক্টর তবে ইউনিক বিষয় নিয়ে কাজ করলে দ্রুত সফলতা পাবেন।

অ্যাপ টেস্টিং

অ্যাপ তৈরি করার পর সেগুলো সকল ডিভাইস এবং ওএস এ ঠিক ভাবে চলে কিনা দেখার জন্য যে পদ্ধতি তাকে অ্যাপ টেস্টিং বলে। এই প্রক্রিয়ায় অ্যাপ নির্মাতা আপনাকে তার অ্যাপ বা গেম টেস্ট করে দেওয়ার জন্য অর্থ পে করবে। আপনি এই ধরনের কাজ Global Beta Test Network সাইটে গেলে পাবেন। তাছাড়া কোন অ্যাপ রিলিজ করার আগে সেগুলোর বেটা টেস্ট করার জন্য অনেক ধরনের জব অনলাইন মার্কেটপ্লেসে পাওয়া যায়।

এআই কন্টেন্ট ক্রিয়েটর

এআই কে কাজে লাগিয়ে সকল ধরনের কন্টেন্ট তৈরি করে আপনি সহজেই অনলাইনে আয় করতে পারবেন। এই জন্য আপনাকে অনেক বেশি সময় দিয়ে এআই কে ট্রেইন করতে হবে এবং আপনাকে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং জানতে হবে। এই কাজের ভ্যালু শুধু ২৪ সালে নয় যতদিন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স আছে ততদিন পর্যন্ত থাকবে। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস সহ সোশ্যাল মিডিয়ার গ্রুপে এই ধরনের কাজ পাবেন।

পডকাস্ট তৈরি করে

পূর্বে যেমন রেডিও অনেক জনপ্রিয় ছিল বর্তমান সময়ে পডকাস্ট সেই জায়গা দখল করে নিয়েছে। আপনি ইউটিউবে পডকাস্ট চ্যানেল তৈরি করে একটি স্টাবল আয়ের মাধ্যম তৈরি করতে পারবেন। সাধারণত পডকাস্ট চ্যানেলের মাধ্যমে আপনি মনিটাইজেসন থেকে আয় করার পাশাপাশি স্পন্সরশিপ থেকে আয় করতে পারবেন।

অনলাইন টিচিং দিয়ে

আপনি যদি একটি নির্দিষ্ট বিষয় যেমন গণিত, বৈদেশিক ভাষা, পদার্থ বিজ্ঞান বা এই জাতীয় কোন বিসয়ের উপ[অর দক্ষ হয়ে থাকে তাহলে অনলাইন টিচিং আপনার জন্য আয়ের অন্যতম একটি মাধ্যমে হতে পারে। অর্থাৎ আপনি কোন বিসয়ের উপর দক্ষ হলে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে বা ভিডিও প্লাটফর্মের মাধ্যমে বিশ্বের সকল স্টুডেন্টের সেখাতে পারবেন।

এই ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট ও শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে। বিষয়টি এমন যে অনলাইনে টিচিং দেওয়ার জন্য আপনাকে ভালো রেটিং পেতে হবে। এতে বেশি পরিমাণে শিক্ষার্থী আপনার ক্লাস কিনবে।

ভয়েস ওভার সার্ভিস দিয়ে

এটি একটি জনপ্রিয় অনলাইন আয়ের মাধ্যম। আমরা কোন মুভি দেখার সময় যে ডাবিং দেখি সেগুলো এই সেক্টরের একটি অংশ। অন্যদিকে কোন ডকুমেন্ট ভিডিও তৈরি করা সহ ইনফরমেশনাল ভিডিও তৈরি করার জন্য এই সার্ভিস প্রয়োজন পরে। এখানে সাধারণত ভয়েস ওভার আর্টিস্ট ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী কণ্ঠ প্রদান করে থাকে।

২০২৪ সালে অনলাইন ইনকাম

স্ট্রিমিং করে

গেম স্ট্রিমিং একটি জনপ্রিয় আয়ের মাধ্যমে। এখানে যেমন অল্প সময়ে অনেক ভিজিটর পাওয়া যায় তেমনি ভিজিটর অনেক লম্বা সময় ধরে অ্যাক্টিভ থাকে। যে কারণে রেভিনিউ বেশি আসে। সাম্প্রতিক সময়ে স্মার্ট ফোন এবং পার্সোনাল কম্পিউটার অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি ইন্টারনেট অনেক বেশি অ্যাভেইলাবল থাকায় স্ট্রিমিং প্লাটফর্মে বেশি ডিভাইস অ্যাড হচ্ছে। আপনি অনলাইনে আয় করার জন্য এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।

ই-বুক তৈরি করে

নিজে লিখে অথবা ChatGPT এর মত এআই ইউজ করে টা মডিফাই করে ই-বুক তৈরি করে সেগুলো অনলাইনে বিক্রি করে ইনকাম করতে পারবেন। ল্যান্ডিং পেজ দিয়ে বিক্রি করার পাশাপাশি আপনি ই-বুক প্লাটফর্মে আপনার বই হোস্ট করে বিক্রি করতে পারবেন।

ভ্লগিং করে

আজকাল সোশ্যাল মিডিয়াতে গেলেই দেখা যায় নানা ধরনের মানুষ ভ্লগিং করছে। কেউ কেউ কাপল ভ্লগিং করছে তো কেউ ফুড ভ্লগিং করছে। অন্যদিকে অনেকেই ট্র্যাভেল ভ্লগিং এর দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। যে যেই দিকেই যাচ্ছে তাদের আয় কিন্তু বেড়েই চলছে। আপনার পর্যাপ্ত রিসোর্স থাকলে সহজেই এই মাধ্যম ইউজ করে অনলাইনে আয় করতে পারবেন।

অ্যাপ তৈরি করে

অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট একটি প্রগতিশীল সেক্টর। স্মার্টফোন রেজুলেশন হওয়ার পর এবং ডেক্সটপে অ্যাপ ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ার পর এই সেক্টরে কাজের পরিধি বৃদ্ধি পেয়েছে। অ্যাপ তৈরি করে আয় করার অনেক ধরনের উপায় রয়েছে। আপনি কোন প্রতিষ্ঠানে জব করে বা ফ্রিল্যান্স ডেভেলপার হিসেবে এই সেক্টর থেকে আয় করতে পারবেন।

সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে

ইনফ্লুয়েন্সার বিষয়টি বর্তমানে ট্রেন্ডিং হিসেবে রয়েছে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার হয়ে অনেকেই অনেক পরিমাণে ইনকাম করছে। এই সেক্টরে আপনি আপনার কন্টেন্ট মনিটাইজ না করলেও অনেক ধরনের স্পন্সর অফার পাবেন। আপনি যত বেশি মানুষকে ইনফ্লুয়েন্স করতে পারবেন আপনার আয়ের ক্ষেত্র তত বৃদ্ধি পাবে।

উপরিউক্ত আলোচনায় ২০২৪ সালে অনলাইন ইনকামের সেরা উপায় সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়েছে। এখানে কোন কোন সেক্টর থেকে বেশি পরিমাণে ইনকাম করতে পারবেন সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। অন্যদিকে আগামী ১০ বছরে কোন কোন স্কিলের কাজ বেশি পাওয়া যাবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply