You are currently viewing ওয়েবসাইট ব্যাকআপ কি? ক্লাউড ব্যাকআপ কি?

ওয়েবসাইটের যাবতীয় ডাটা কপি করে রাখাকেই ব্যাকআপ বলে। এটা লাইক আপনার মেইন ওয়েবসাইটের আরেকটা এক্সট্রা কপি ভার্সন। 

ওয়েবসাইটের ডাটা সুরক্ষিত রাখতে এবং সাইট এর ডাটা সেফ রাখার জন্য মূলত ব্যাকআপ রাখা হয়, যাতে ফিউচারে কোন আনএক্সপেক্টেড দূঘর্টনা ঘটলে ব্যাকআপ রিস্টোর করে তা ইনস্ট্যান্ট সলিউশন করা যায়। এছাড়া আপনার ওয়েবসাইট এক হোস্টিং কোম্পানী থেকে অন্য হোস্টিং কোম্পানীতে মুভ করে নিয়ে যাওয়ার জন্যও ব্যাকআপ নিতে হয়।

ব্যাকআপ নেবার মাল্টিপল সিস্টেম রয়েছে, আপনি থার্ড পার্টি কোন সফটওয়্যার বা প্লাগিনের মাধ্যমে ব্যাকআপ নিতে পারেন আবার আপনার ওয়েব হোস্টিং কোম্পানীর বিল্টইন কোন সফটওয়্যারের সাহায্য ব্যাকআপ নিতে পারেন, এছাড়া ম্যানুয়ালিও বিভিন্ন ম্যার্থডে ব্যাকআপ নিতে পারেন। যে ম্যার্থডেই ব্যাকআপ নেন না কেন, রেগুলার ব্যাকআপ নেওয়াটা জরুরী।

ক্লাউড ব্যাকআপ কি?

ক্লাউড ব্যাকআপ এর কাজ হলো আপনাকে নিজে থেকে ম্যানুয়ালি ব্যাকআপ রাখতে হচ্ছে না, হোস্টিং কোম্পানি আপনার হয়ে ব্যাকআপ রেখে দিবে। যার ফলে আপনার ওয়েবসাইটের ডাটা অনেকটাই সুরক্ষিত থাকবে। 

তবে এখানে একটি বিষয় বলে নেওয়া জরুরী যে: ক্লাউড ব্যাকআপ সার্ভিস নেবার পরেও আপনার অবশ্যই উচিত পারসোনালি মাসে কমপক্ষে ১-২ বার ব্যাকআপ রাখা, কেননা আনএক্সপেক্টেড দূঘর্টনায় মেইন ডাটার পাশাপাশি ব্যাকআপ ডাটারও ক্ষতি হয়ে যেতে পারে, সেক্ষেত্রে সেফ সাইটে থাকার জন্য নিজে থেকে ব্যাকআপ রাখাই বেটার অপশন। 

হোস্টিং কোম্পানীগুলোও কখনোই তাঁদের ব্যাকআপ এ গ্যারান্টি দিয়ে থাকেনা কারণ দূঘর্টনা ঘটতেই পারে, ব্যাকআপ করাপ্টেড হতেই পারে তাই এখানেই ১০০% গ্যারান্টি দেয়া মুশকিল।

নিজে থেকে ব্যাকআপ রাখার পাশাপাশি ক্লাউড ব্যাকআপ সার্ভিস নেয়াটাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কেননা নিজে থেকে লেটেস্ট ব্যাকআপ রেগুলার নেওয়া সময় সাপেক্ষ একটি ব্যাপার। আবার আপনি যে ব্যাকআপটি নিচ্ছেন সেটিও করাপ্টেড হতেই পারে, ব্যাকআপ ডাটা ভুলবশত আপনার কাছে থেকে রিমুভ হয়ে যেতেই পারে, তাই সিকিউর অপশন হচ্ছে ক্লাউড ব্যাকআপ রাখা। এতে করে কোন কারণে যদি ব্যাকআপ ডাটা আপনার কাছে থেকে করাপ্টেড বা রিমুভ হয়েও যায় ক্লাউড ব্যাকআপ থাকার কারণে আপনার হোস্টিং প্রোভাইডার ইজিলি আপনার ওয়েবসাইটের লেটেস্ট ব্যাকআপ রিস্টোর করে দিতে পারবে।

Leave a Comment